• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে খানসামায় শিক্ষকদের কর্মবিরতি

উপজেলার নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীগণ কর্মবিরতী করছেন।

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে কর্ম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১২ টায় সরেজমিনে উপজেলার খানসামা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়,  শিক্ষক-কর্মচারীদের সংগঠন ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোট” এর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অফিসে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দরা কর্ম বিরতি কর্মসূচি পালন করছে। আর শ্রেণিকক্ষে ক্লাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা  মাঠে দলবদ্ধ হয়ে খেলাধুলা করছে।

খানসামা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত রবিবার হতে ৩ দিন সকাল ১০ টা হতে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ক্লাশ বর্জন করে আমরা কর্ম বিরতি কর্মসূচি পালন করছি। যা ১৪ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

উপজেলার নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীগণ কর্মবিরতী করছেন।

কর্ম বিরতি পালন করা নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রতিকুল চন্দ্র দাস বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঠ্যক্রম সিলেবাস, আইন এবং একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হলেও শিক্ষাব্যবস্থায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষক থেকে কর্মচারী পর্যন্ত নামমাত্র ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা পান ২৫ শতাংশ। অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টে শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে বেতনের ১০ শতাংশ কেটে রাখলেও ৬ শতাংশের বেশি সুবিধা এখনও দেওয়া হয় না এবং বৃদ্ধ বয়সে যথাসময়ে এ টাকা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নেই। তাদের প্রত্যাশা, অতি দ্রুতই যেন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়। তাদের এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ